দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ হয়নি তখনও। রোববারের পড়ন্ত বিকেল। দড়ির বাইরে দিয়ে
একা হাঁটলেন মুশফিকুর রহিম। এ হাঁটা নিজেকে প্রস্তুত করার। আগামী দিন আবার
মাঠে নামার। আগের দিন মাথায় ব্যাথা পেয়ে কাল মাঠে নামতে পারেননি রাজশাহী
অধিনায়ক। পুরো দিন কেটেছে ড্রেসিংরুমেই। তিনি একা নন, যার সঙ্গে মুখোমুখি
সংঘর্ষ; সেই সাকলাইন সজীবও দ্বিতীয় দিন মাঠের বাইরে। অধিনায়ক ও সেরা
ব্যাটসম্যান মুশফিক আর মূল স্পিনার সাকলাইন কাল খেলতে না পারায় ক্ষতি হয়েছে
রাজশাহীর। প্রথম দিন মাঝামাঝি সময় থেকে আর মাঠে ফিরতে না পারলেও সমস্যা
হয়নি। দল প্রথম ইনিংসে ঠিক এগিয়ে যায়। কিন্তু দ্বিতীয় দিন তাদের অনুপস্থিতি
ভুগিয়েছে দারুণভাবে। ফরহাদ হোসেন ও ফরহাদ রেজার হাত ধরে প্রথম দিন এগিয়ে
যাওয়া রাজশাহী লিড হয়তো আরও বড় হতে পারত। হয়নি মুশফিক ও সাকলাইন সজীব ব্যাট
করতে না পারায়। ৬ উইকেটে ১৩৭ রান নিয়ে কাল দ্বিতীয় দিন শুরু করা রাজশাহী
মাঠে নামে আসলে ২ ..........................উইকেট হাতে রেখে। তাতে যোগ হয় ৪১। আগের দিন ৩৯ রানে নটআউট ফরহাদ হোসেন ৪৩ রানে আউট হলেও জুবায়ের (২৬*) আর শফিউল (২০) শেষদিকে কার্যকর অবদান রাখলে স্কোর ১৭৮ রানে গিয়ে ঠেকে।
অধিনায়ক মুশফিক ব্যাট করতে পারলে স্কোরলাইন বড় হতে পারত। এটাই শেষ নয়, মুশফিক-সাকলাইনের ইনজুরি রাজশাহীকে ভুগিয়েছে আরও। প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট দখল করে ঢাকাকে ১১৬ রানে বেঁধে ফেলতে যার অগ্রণী ভূমিকা-সেই বাঁহাতি স্পিনার সাকলাইন সজীব দ্বিতীয় ইনিংসে বল করতে না পারায় অনেক স্বস্তিতে খেলেছেন ঢাকার ব্যাটসম্যানরা। স্পিন ট্র্যাম্পকার্ড সাকলাইন সজীবের অনুপস্থিতিতে কমজোরি হয়ে পড়া রাজশাহী বোলিংয়ের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসের ধাক্কা ও বিপর্যয় সামলে নিয়েছে ঢাকা। দ্বিতীয় দিন শেষে ঢাকার রান গিয়ে ঠেকেছে প্রায় তিনশ’র কাছাকাছি (২৯৫/৭)। এতে করে প্রথম ইনিংসে ৬২ রানের ঘাটতি পুষিয়ে এখন উল্টো ২৩৩ রানে এগিয়ে ঢাকা। মজিদ (৫০*) ও শরীফ (২৩*) উইকেটে।
শেষ খবর— এ ম্যাচে আর খেলা হচ্ছে না সাকলাইন সজীবের। ডাক্তার তাকে অন্তত সপ্তাহখানেক ব্রিশামের পরামর্শ দিয়েছেন।

No comments:
Post a Comment