শাহরিয়ার নাফিসের জন্য বিব্রতকর। সর্বশেষ টেস্ট খেলেছিলেন প্রায় এক বছর
পূর্বে পাকিস্তানের বিপক্ষে। সে টেস্ট শুরু হয়েছিল ২০১১ সালে ১৬ ডিসেম্বর।
প্রথম ইনিংসে ৯৭ রান করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে কোনো রান করতে পারেননি। আবার
তিনি টেস্ট খেলতে যাচ্ছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। টেস্ট শুরু হবে
আগামীকাল। ১৪ জনের ঘোষিত দলে শাহরিয়ার নাফীসের অন্তর্ভুক্তির পর এ নিয়ে
তাকে পড়তে হয়েছে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে। অনেকেই মনে করেছেন তিনি আবার জাতীয়
দলে ফিরেছেন। কেউ কেউ অভিনন্দনও জানিয়েছেন। শাহরিয়ার নাফীস সে অভিনন্দন
সানন্দে গ্রহণও করেছেন। আবার ফিরে আসা নিয়ে প্রশ্নের জবাবও দিয়েছেন। কিন্তু
বাস্তবতা হলো তিনি টেস্ট দলে ফেরেননি। কারণ তার খেলা সর্বশেষ টেস্ট ছিল
বাংলাদেশেরও খেলা শেষ টেস্ট। এরপর বাংলাদেশ একদিনের ম্যাচ খেলেছে এশিয়া
কাপে। এ ছাড়া টোয়েন্টি২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটসহ আরো বেশ কযেকটি ম্যাচও খেলেছে।
শাহরিয়ার নাফীস এ দু’ধরনের ক্রিকেটেই কোনো ম্যাচ খেলেননি। একদিনের ম্যাচ
তিনি দল থেকে বাদ পড়েছেন। টোয়েন্টি২০ ক্রিকেটে তাকে আর নির্বাচকরা বিবেচনা
করেন না বলে জানান শাহরিয়ার নাফীস। [..........]একদিন বিরতির পর রোববার শুরু হওয়া বাংলাদেশ দলের অনুশীলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে যথারীতি তাকে দিতে হয়েছে এ প্রশ্নের জবাব। কিন্তু তারপরও এক বছর পর আবার দলে ফিরে তিনি ‘এক্সাইটেড’।
নিজেকে আবার টেস্ট দলে ফেরা প্রসঙ্গে শাহরিয়ার নাফীস মনে করেন তিনি নিজেকে লঙ্গার ভার্সেন ম্যাচে ধরে রাখতে পেরেছেন। এ সময় তিনি ‘এ’ দলের হয়ে খুব ভালো করতে না পারলেও মোটামুটি রান করতে পেরেছেন বলে তার মনে হয়েছে। তা ছাড়া এবার জাতীয় লিগে দুটি ম্যাচ খেলে একটি ম্যাচ রান পেয়েছেন। এক বছর পর তিনি নিজে যেমন টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামবেন। তেমনি বাংলাদেশ দলও খেলতে নামবে। এ বিষয়টি ফ্যাক্টর হলেও শাহরিয়ার নাফীস মনে করেন ভালো খেলতে পারলে এ বিরতি কোনো ব্যাপার হবে না। তিনি আবার জাতীয় দলে ফিরে এলেও নিজের আসন পাকাপোক্ত করতে পারেনি। শাহরিয়ার নাফীস এর কারণ হিসেবে মনে করেন নতুনদের উঠে আসা। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে প্রতিটি পজিশনে দুই থেকে তিন জন ক্রিকেটার লড়াই করছে। এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য মঙ্গলজনক’। প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলকে আগের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী বলে মনে করছেন শাহরিয়ার নাফীস। রবি রামপলসহ দলের সব বোলারই ভালো ফর্মে আছে। তিনি কাউকে আলাদাভাবে গুরুত্ব না দিয়ে সব বোলারকে সমান গুরুত্ব সহকারে দেখছেন।

No comments:
Post a Comment