ফিল্ডিংয়ের সময় ক্যাচ ধরতে গিয়ে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহমান ও স্পিনার সাকলায়েন সজীব। জাতীয় ক্রিকেট লিগের উদ্বোধনী দিনে গতকাল মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহীর হয়ে খেলছিলেন দুজন। তাদের প্রতিপক্ষ ছিল ঢাকা। রাজশাহীর অধিনায়ক মুশফিক ও বাঁহাতি স্পিনার সাকলায়েন শঙ্কা মুক্ত বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রীড়া চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দেড়টার দিকে রাজশাহীর দুই খেলোয়াড় মুশফিক ও সজীব মুখোমুখি .......................
সংঘর্ষে আহত হন। দুজনই কিছু সময়ের জন্য সংজ্ঞাহীন ছিলেন। মুশফিক দ্রুত সংজ্ঞা ফিরে পেলেও সজীবের জ্ঞান ফিরে পেতে এক মিনিটের কাছাকাছি সময় লেগেছে। এক মিনিটের বেশি সময় সংজ্ঞাহীন থাকলে তাদের জন্য ঘটনাটি বিপজ্জনক হতে পারত, বলেন এই চিকিৎসক। জাতীয় দলের অধিনায়ক মুশফিককে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। রাজশাহীর কোচ খালেদ মাসুদ পাইলট বলেছেন, পরিস্থিতি অবনতির দিকে না গেলে আজ ব্যাটিংও করতে পারেন জাতীয় দলের অধিনায়ক। চারটি ডিসমিসাল করা মুশফিকের চেয়ে সজীবের আঘাত গুরুতর ছিল। অ্যাপোলো হাসপাতালে সজীবের সিটি স্ক্যান করা হয়েছে। ততে খেলায় চারটি উইকেট নেয়া এই স্পিনারের জন্য বিপজ্জনক কিছু পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন দেবাশীষ। তবে মাঠে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার সময় সজীব সাময়িক সময়ের জন্য স্মৃতি হারিয়ে ফেলেছিলেন বলে জানান বিসিবির ক্রীড়া চিকিৎসক। তিনি বলেন, ঘটনার আগ মুহূর্তের কোনো কিছু তিনি মনে করতে পারছেন না। কিছু সময় পর সেটা কেটে যেতে পারে। তাদের পরিপূর্ণ সুস্থতার বিষয়ে এখনি মন্তব্য করতে নারাজ দেবাশীষ বলেন, ২৪ ঘণ্টা পর তাদের ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। সজীবের রিফ্লেক্স একটু কম পাচ্ছি, তবে ভালো ব্যাপার হচ্ছে- তার বমি ভাব নেই, সেই সঙ্গে পিউপিলও (চোখের) ভালো সাড়া দিচ্ছে।


No comments:
Post a Comment