প্রথম
টেস্টে বাউন্সারের মুখে মাহমুদ উল্লাহর ব্যাটিং দলের অন্য ব্যাটসম্যানদের
বেশ অনুপ্রাণিতই করেছিল। অন্তত তেমন দাবিই করেছিলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।
সেটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ অবশ্য নেই। কারণ জাতীয় দলে মুশফিকের
ডেপুটি মাহমুদ মিরপুরে শরীরে বল যেমন নিয়েছেন, তেমনি পাল্টা আক্রমণে রানও
বের করেছেন।
কিন্তু খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাটসম্যানদের প্রেরণায় চোট লাগার মতো উদাহরণও তো রেখে গেছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে শাহরিয়ার নাফীস। যিনি টিনো বেস্ট কিংবা ফিডেল এডওয়ার্ডসের বাউন্সারে বারবারই এলোমেলো শটে রক্ষা পেতে চেয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে একপর্যায়ে তো ওই বাউন্সারেই এমন এক শট খেলে আউট হয়ে এসেছেন, যেটি লম্বা সময়ের জন্য তাঁকে বাংলাদেশ দলের বাইরে রাখার জন্য যথেষ্ট। বাউন্সারের বিপক্ষে তাঁর ব্যাটিং ভালো লাগেনি মুশফিকেরও, 'খারাপ তো লাগারই কথা। বিশেষ করে কোনো টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানের কাছ থেকে এমন ব্যাটিং কেউই আশা করে না।'
এমনটাও কেউ নিশ্চয়ই আশা করবেন না যে, শর্ট বলের বিপক্ষে ওরকম ব্যাটিংয়ের প্রভাব দলের অন্য ব্যাটসম্যানদের ওপরও পড়ুক। নাফীসের ভীতিকর ব্যাটিংয়ে ভীতির সঞ্চার না হলেই তাই ভালো। মুশফিক ভীতির ব্যাপারটা স্বীকার করবেন না স্বাভাবিক। কিন্তু যারা বাংলাদেশ দলের নিয়মিত খোঁজখবর রাখে, তাদের কারোরই অজানা নয় যে এখানে ব্যাটসম্যানরা কত সহজে অন্যের মাধ্যমে আক্রান্ত হন। ব্যাটিং আত্মবিশ্বাসের ব্যাপার, আর তাতে চিড় ধরিয়ে দেওয়ার জন্য নাফীসের মতো একজনই যথেষ্ট। ওয়ানডে সিরিজ
শুরুর আগে ভীতিকর ব্যাটিংয়ের উদাহরণ এভাবে বারবার উঠে আসার কারণ, গত ৩০ অক্টোবর থেকে চালু হয়ে যাওয়া নতুন কিছু নিয়ম।
যে নিয়মের মধ্যে আছে ওভারপ্রতি দুটো করে বাউন্সারও। সদ্যসমাপ্ত টেস্ট সিরিজেই বাউন্সারের সুফল ভোগ করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাই অবধারিতভাবেই নতুন নিয়মের সুবিধা পুরোপুরি আদায় করে নিতে চাইবে। এ ধরনের ডেলিভারিতে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতা কাজে লাগাতে মরিয়া হয়ে থাকবেন ক্যারিবীয় ফাস্ট বোলাররাও। অবশ্য ইনজুরির কারণে ওয়ানডে দলে থেকেও শেষ পর্যন্ত টিনো বেস্টের দেশে ফিরে যাওয়াটা বাংলাদেশের জন্য ভালো খবর। কিন্তু চলতি বছর টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা বোলার কেমার রোচ ইনজুরির কারণে টেস্ট সিরিজ মিস করলেও আছেন ওয়ানডেতে। সেই সঙ্গে রবি রামপালও নতুন নিয়মের প্রয়োগ ঘটিয়ে সাফল্য পেতে কম মুখিয়ে থাকবেন না।
ওয়ানডে সিরিজও তাই বাংলাদেশের জন্য টেস্টের মতোই বড় এক পরীক্ষা হয়ে আসছে। যে পরীক্ষায় নামার আগে সাফল্যের কিছু সূত্রও মাথায় খেলছে মুশফিকের, "টেস্টে বাউন্সার খেলার কোনো তাড়া নেই। আপনি 'ডাক' করে গেলেই হলো। কিন্তু ওয়ানডেতে রানের চাহিদা থাকে। সে ক্ষেত্রে শর্ট বলে চালিয়ে খেললে একই সঙ্গে রানও আসবে, আর সাফল্যের সঙ্গে খেলতে পারলে ওরাও হয়তো ওরকম ডেলিভারি খুব বেশি দেবে না।'' কিন্তু চালিয়ে খেলার ঝুঁকিও তো কম নয়। সেটি মনে করিয়ে দিতেই বাংলাদেশ অধিনায়কের ভাষ্য, 'বিশ্বের বেশির ভাগ ব্যাটসম্যানই শর্ট বলে স্বাচ্ছন্দ্য নন। কিন্তু এমন নয় যে তাঁরা এরকম বলে রান করেনই না।'
প্রথম টেস্টে করেছেন মাহমুদ উল্লাহও। দুজন বাদে অন্যদেরও বাউন্সার সামলানোয় পাস মার্কই দিচ্ছেন প্রধান নির্বাচক আকরাম খান, 'দুজন বাদে তো সবাই মোটামুটি ভালোভাবেই শর্ট বল সামলেছে।' সেই 'দুজন' বলতে নিঃসন্দেহে জুনায়েদ সিদ্দীক আর নাফীসের কথাই বোঝাতে চেয়েছেন তিনি। প্রথমজন তো সিরিজের প্রথম টেস্টের পরই দলে জায়গা হারিয়েছেন। তাঁর মতো নাফীসও নেই ওয়ানডে দলে। শর্ট বলে ভীতিকর ব্যাটিং করা কেউ ওয়ানডে সিরিজের দলে না থাকলেও নতুন নিয়মের গ্যাঁড়াকল বাংলাদেশের জন্য আছে আরো। এখন তিনটি থেকে পাওয়ার প্লের জায়গায় হচ্ছে দুটি। সব মিলিয়ে ১৫ ওভার পাওয়ার প্লে। এর বাইরে ৩৫ 'নন-পাওয়ার প্লে' ওভারে ৩০ গজ বৃত্তের বাইরে ফিল্ডার রাখা যাবে চারজন। আর বৃত্তের ভেতরই পাঁচজন।
যে নিয়ম বাংলাদেশের জন্য একটা সমস্যাই হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে হচ্ছে প্রধান নির্বাচকের, 'নতুন নিয়ম আমাদের পক্ষে না, বিপক্ষেই যাচ্ছে। কারণ ভেতরে পাঁচজন নিয়ে স্পিনে মানিয়ে নেওয়ার সমস্যাটা হবে। প্রথম কথা হলো, আমরা অনেক দিন পর ওয়ানডে খেলছি। দ্বিতীয়ত, এ নিয়মে মানিয়ে নিতেও সমস্যা হবে।' কাল বিসিবি একাদশের বিপক্ষে জাতীয় দলের প্রস্তুতি ম্যাচেও স্পিনারদের এ জন্য সমস্যায় পড়তে দেখেছেন আকরাম। বাংলাদেশের মূল ভরসা স্পিনাররা। ওয়ানডেতে স্পিনাররাই ৩০ ওভারের বেশি বল করে দিয়ে থাকেন। এমনকি স্লগ ওভারেও (শেষ ১০ ওভার) অধিনায়ক তাঁদের ওপরই বেশি আস্থা রেখে থাকেন। বৃত্তের বাইরে এত দিন পাঁচজন ফিল্ডার রাখার নিয়মের ফলে ফিল্ডিং ছড়িয়ে রাখা যেত। সে ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যান চড়াও হলেও সাফল্যের সুযোগটা বেশি থাকত। এখন সেটা অনেকটাই সীমিত হয়ে গেছে নতুন নিয়মে। প্রধান নির্বাচকের কণ্ঠে তাই উদ্বেগ, 'আমাদের মূল শক্তি স্পিন। এখন নতুন নিয়মে স্পিনারদের জন্য কাজ অনেক কঠিন হয়ে গেল। আজ প্রস্তুতি ম্যাচেও সেটাই দেখলাম। এটা নিয়ে অনেক কাজ করার আছে।'
কিন্তু ৩০ নভেম্বর থেকে সিরিজ শুরুর আগে সময় বড্ড কম। সেটা শর্ট বল পরীক্ষায় প্রস্তুত হওয়ার জন্য যেমন, তেমনি নতুন ফিল্ডিং বাধ্যবাধকতায় তৈরি হওয়ার জন্যও!
* এখন ওয়ানডেতে বাউন্সার দেওয়া যাবে দুটো। টেস্ট সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যেভাবে বাউন্সার ব্যবহার করেছে তাতে এই নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকছেই।
* দ্বিতীয় দুশ্চিন্তা নতুন নিয়মে 'নন-পাওয়ার প্লে' ওভারগুলোতেও সর্বোচ্চ চারজন ফিল্ডার রাখা যাবে বৃত্তের বাইরে, আগে সংখ্যাটা ছিল পাঁচ। এটাও স্পিন-নির্ভর বাংলাদেশ বোলিংয়ের জন্য ভাবনার।
কিন্তু খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাটসম্যানদের প্রেরণায় চোট লাগার মতো উদাহরণও তো রেখে গেছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে শাহরিয়ার নাফীস। যিনি টিনো বেস্ট কিংবা ফিডেল এডওয়ার্ডসের বাউন্সারে বারবারই এলোমেলো শটে রক্ষা পেতে চেয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে একপর্যায়ে তো ওই বাউন্সারেই এমন এক শট খেলে আউট হয়ে এসেছেন, যেটি লম্বা সময়ের জন্য তাঁকে বাংলাদেশ দলের বাইরে রাখার জন্য যথেষ্ট। বাউন্সারের বিপক্ষে তাঁর ব্যাটিং ভালো লাগেনি মুশফিকেরও, 'খারাপ তো লাগারই কথা। বিশেষ করে কোনো টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানের কাছ থেকে এমন ব্যাটিং কেউই আশা করে না।'
এমনটাও কেউ নিশ্চয়ই আশা করবেন না যে, শর্ট বলের বিপক্ষে ওরকম ব্যাটিংয়ের প্রভাব দলের অন্য ব্যাটসম্যানদের ওপরও পড়ুক। নাফীসের ভীতিকর ব্যাটিংয়ে ভীতির সঞ্চার না হলেই তাই ভালো। মুশফিক ভীতির ব্যাপারটা স্বীকার করবেন না স্বাভাবিক। কিন্তু যারা বাংলাদেশ দলের নিয়মিত খোঁজখবর রাখে, তাদের কারোরই অজানা নয় যে এখানে ব্যাটসম্যানরা কত সহজে অন্যের মাধ্যমে আক্রান্ত হন। ব্যাটিং আত্মবিশ্বাসের ব্যাপার, আর তাতে চিড় ধরিয়ে দেওয়ার জন্য নাফীসের মতো একজনই যথেষ্ট। ওয়ানডে সিরিজ
শুরুর আগে ভীতিকর ব্যাটিংয়ের উদাহরণ এভাবে বারবার উঠে আসার কারণ, গত ৩০ অক্টোবর থেকে চালু হয়ে যাওয়া নতুন কিছু নিয়ম।
যে নিয়মের মধ্যে আছে ওভারপ্রতি দুটো করে বাউন্সারও। সদ্যসমাপ্ত টেস্ট সিরিজেই বাউন্সারের সুফল ভোগ করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ তাই অবধারিতভাবেই নতুন নিয়মের সুবিধা পুরোপুরি আদায় করে নিতে চাইবে। এ ধরনের ডেলিভারিতে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতা কাজে লাগাতে মরিয়া হয়ে থাকবেন ক্যারিবীয় ফাস্ট বোলাররাও। অবশ্য ইনজুরির কারণে ওয়ানডে দলে থেকেও শেষ পর্যন্ত টিনো বেস্টের দেশে ফিরে যাওয়াটা বাংলাদেশের জন্য ভালো খবর। কিন্তু চলতি বছর টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা বোলার কেমার রোচ ইনজুরির কারণে টেস্ট সিরিজ মিস করলেও আছেন ওয়ানডেতে। সেই সঙ্গে রবি রামপালও নতুন নিয়মের প্রয়োগ ঘটিয়ে সাফল্য পেতে কম মুখিয়ে থাকবেন না।
ওয়ানডে সিরিজও তাই বাংলাদেশের জন্য টেস্টের মতোই বড় এক পরীক্ষা হয়ে আসছে। যে পরীক্ষায় নামার আগে সাফল্যের কিছু সূত্রও মাথায় খেলছে মুশফিকের, "টেস্টে বাউন্সার খেলার কোনো তাড়া নেই। আপনি 'ডাক' করে গেলেই হলো। কিন্তু ওয়ানডেতে রানের চাহিদা থাকে। সে ক্ষেত্রে শর্ট বলে চালিয়ে খেললে একই সঙ্গে রানও আসবে, আর সাফল্যের সঙ্গে খেলতে পারলে ওরাও হয়তো ওরকম ডেলিভারি খুব বেশি দেবে না।'' কিন্তু চালিয়ে খেলার ঝুঁকিও তো কম নয়। সেটি মনে করিয়ে দিতেই বাংলাদেশ অধিনায়কের ভাষ্য, 'বিশ্বের বেশির ভাগ ব্যাটসম্যানই শর্ট বলে স্বাচ্ছন্দ্য নন। কিন্তু এমন নয় যে তাঁরা এরকম বলে রান করেনই না।'
প্রথম টেস্টে করেছেন মাহমুদ উল্লাহও। দুজন বাদে অন্যদেরও বাউন্সার সামলানোয় পাস মার্কই দিচ্ছেন প্রধান নির্বাচক আকরাম খান, 'দুজন বাদে তো সবাই মোটামুটি ভালোভাবেই শর্ট বল সামলেছে।' সেই 'দুজন' বলতে নিঃসন্দেহে জুনায়েদ সিদ্দীক আর নাফীসের কথাই বোঝাতে চেয়েছেন তিনি। প্রথমজন তো সিরিজের প্রথম টেস্টের পরই দলে জায়গা হারিয়েছেন। তাঁর মতো নাফীসও নেই ওয়ানডে দলে। শর্ট বলে ভীতিকর ব্যাটিং করা কেউ ওয়ানডে সিরিজের দলে না থাকলেও নতুন নিয়মের গ্যাঁড়াকল বাংলাদেশের জন্য আছে আরো। এখন তিনটি থেকে পাওয়ার প্লের জায়গায় হচ্ছে দুটি। সব মিলিয়ে ১৫ ওভার পাওয়ার প্লে। এর বাইরে ৩৫ 'নন-পাওয়ার প্লে' ওভারে ৩০ গজ বৃত্তের বাইরে ফিল্ডার রাখা যাবে চারজন। আর বৃত্তের ভেতরই পাঁচজন।
যে নিয়ম বাংলাদেশের জন্য একটা সমস্যাই হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে হচ্ছে প্রধান নির্বাচকের, 'নতুন নিয়ম আমাদের পক্ষে না, বিপক্ষেই যাচ্ছে। কারণ ভেতরে পাঁচজন নিয়ে স্পিনে মানিয়ে নেওয়ার সমস্যাটা হবে। প্রথম কথা হলো, আমরা অনেক দিন পর ওয়ানডে খেলছি। দ্বিতীয়ত, এ নিয়মে মানিয়ে নিতেও সমস্যা হবে।' কাল বিসিবি একাদশের বিপক্ষে জাতীয় দলের প্রস্তুতি ম্যাচেও স্পিনারদের এ জন্য সমস্যায় পড়তে দেখেছেন আকরাম। বাংলাদেশের মূল ভরসা স্পিনাররা। ওয়ানডেতে স্পিনাররাই ৩০ ওভারের বেশি বল করে দিয়ে থাকেন। এমনকি স্লগ ওভারেও (শেষ ১০ ওভার) অধিনায়ক তাঁদের ওপরই বেশি আস্থা রেখে থাকেন। বৃত্তের বাইরে এত দিন পাঁচজন ফিল্ডার রাখার নিয়মের ফলে ফিল্ডিং ছড়িয়ে রাখা যেত। সে ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যান চড়াও হলেও সাফল্যের সুযোগটা বেশি থাকত। এখন সেটা অনেকটাই সীমিত হয়ে গেছে নতুন নিয়মে। প্রধান নির্বাচকের কণ্ঠে তাই উদ্বেগ, 'আমাদের মূল শক্তি স্পিন। এখন নতুন নিয়মে স্পিনারদের জন্য কাজ অনেক কঠিন হয়ে গেল। আজ প্রস্তুতি ম্যাচেও সেটাই দেখলাম। এটা নিয়ে অনেক কাজ করার আছে।'
কিন্তু ৩০ নভেম্বর থেকে সিরিজ শুরুর আগে সময় বড্ড কম। সেটা শর্ট বল পরীক্ষায় প্রস্তুত হওয়ার জন্য যেমন, তেমনি নতুন ফিল্ডিং বাধ্যবাধকতায় তৈরি হওয়ার জন্যও!
* এখন ওয়ানডেতে বাউন্সার দেওয়া যাবে দুটো। টেস্ট সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যেভাবে বাউন্সার ব্যবহার করেছে তাতে এই নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকছেই।
* দ্বিতীয় দুশ্চিন্তা নতুন নিয়মে 'নন-পাওয়ার প্লে' ওভারগুলোতেও সর্বোচ্চ চারজন ফিল্ডার রাখা যাবে বৃত্তের বাইরে, আগে সংখ্যাটা ছিল পাঁচ। এটাও স্পিন-নির্ভর বাংলাদেশ বোলিংয়ের জন্য ভাবনার।


No comments:
Post a Comment