আইসিসির সহসভাপতি হয়েছেন আ হ ম মুস্তফা কামাল। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) পেয়েছে নতুন সভাপতি। বিসিবির নতুন সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। নতুন সভাপতিকে স্বাগত জানিয়েছে সাবেক ক্রিকেটার এবং ক্রিকেটারদের সংগঠন বাংলাদেশ ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (কোয়াব)। স্বাগত জানালেও ..................
ক্রিকেটারদের সংগঠন ও সাবেক ক্রিকেটাররা আশা করছেন, নতুন সভাপতি ক্রিকেট বোর্ডে ক্রিকেটারদের রাখার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।
বিসিবির ১ মার্চের এজিএমে সংশোধিত গঠনতন্ত্র ২০০৮-এর সংশোধন করে ৯.৩.৮ ধারাটি বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। ৯.৩.৮ ধারায় উল্লেখ রয়েছে_ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ক্রিকেট খেলোয়াড়দের অনুমোদিত সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনাক্রমে সভাপতি কর্তৃক মনোনীত জাতীয় ক্রিকেট দলের মোট পাঁচজন সাবেক অধিনায়ক এবং জাতীয় ক্রিকেট দল ও প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণকারী সাবেক খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে মোট ১০ জন হিসেবে সর্বমোট ১৫ জন (সব সাবেক খেলোয়াড়রা প্রতিযোগিতামূলক খেলা থেকে অবসরপ্রাপ্ত এবং সাবেক অধিনায়কদের ক্ষেত্রে অধিনায়কত্বের মেয়াদ কমপক্ষে ১ বছর হতে হবে এবং শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে কর্মরত থেকে পারিবেন না)। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে এই সুপারিশ জমা পড়ার পর ক্রিকেটারদের সংগঠন ও সাবেক ক্রিকেটাররা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকারের সঙ্গে দেখা করে বিসিবিতে ক্রিকেটারদের রাখার বিষয়টির ব্যাখ্যা করেন। সংশোধিত গঠনতন্ত্র পাঠানোর পরও বিসিবির সাবেক সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামালও ক্রিকেটারদের রাখার অনুরোধ জানিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে চিঠি দেন ২৮ আগস্ট। চিঠিতে তিনি ৯.৩.২ ধারা অনুযায়ী জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোটায় যে পাঁচজন কাউন্সিলর থাকার কথা উল্লেখ রয়েছে, সেখানে ১৫ ক্রিকেটারকে রাখার অনুরোধ করেছেন।
৯.৩.৮ ধারাটি বাদ দেওয়া এবং রাখার বিষয়ে চিঠি চালাচালির পর এখন পর্যন্ত জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কোনো সিদ্ধান্তে আসেনি। তাই সাবেক ক্রিকেটার এবং ক্রিকেটারদের সংগঠন তাকিয়ে আছেন নতুন সভাপতির দিকে। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন মনে করেন, তাদের দাবি খুব ভালো করেই জানেন নতুন সভাপতি, 'ক্রিকেটের জন্য যা ভালো হবে, আশা করি সেটাই করবেন নতুন বোর্ড সভাপতি। আমাদের দাবি অনেকদিনের। সবচেয়ে বিষয় হচ্ছে আমাদের দাবি সম্পর্কে নতুন সভাপতি পুরোপুরি অবহিত। আমরা অনেকদিন ধরেই চাচ্ছি ক্রিকেটাররা বোর্ডে থাকুক।' আরেক সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট চাচ্ছেন সবার অংশগ্রহণে পরিচালিত হউক ক্রিকেট বোর্ডের কার্যক্রম, 'ক্রিকেট বোর্ডে ক্রিকেটারদের অবশ্যই থাকা উচিত। তবে ক্রিকেটের উন্নয়নের জন্য বোর্ডে সব ধরনের লোকদেরই রাখা উচিত। বিশেষ করে টেকনিক্যাল লোক থাকলে বোর্ডের কাজগুলো সহজভাবে পরিচালিত হবে।' এক কাঠি সরেস মন্তব্য করেছেন ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল, 'বাংলাদেশ ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (কোয়াব) সব সময়ই চাচ্ছে ক্রিকেট বোর্ডের ক্রিকেটার থাকুক। প্রয়োজনে ১৫ জনের বেশি ক্রিকেটার থাকুক বোর্ডে।' বিসিবিতে ক্রিকেটারদের রাখা না রাখার বিষয়ে দ্বিধাবিভক্ত বিসিবি পরিচালকরা। যেসব পরিচালকদের ব্যাকগ্রাউন্ড ক্রিকেটার, তারাই চাচ্ছেন ক্রিকেটাররা থাকুক ক্রিকেট বোর্ডে। কিন্তু কিছু ক্লাব কর্মকর্তা এবং জেলা ও বিভাগের কাউন্সিলররা চাচ্ছেন না ক্রিকেটারদের।


No comments:
Post a Comment