ম্যাচ শেষ হওয়া মাত্রই ব্যাট হাতে মাঠে নেমে গেলেন তামিম ইকবাল। সাকলায়েন
মুশতাক, সোহাগ-নাসিরদের বোলিংয়ে সেন্টার উইকেটে চলল ব্যাটিং অনুশীলন। হয়তো
ম্যাচে এক অফ স্পিনারের বলে বোল্ড হয়েছেন বলেই। খারাপ খেলেননি অবশ্য। ৬৭
বলে ১৩ চারে ৭২ রান। কিন্তু যথারীতি পারেননি ইনিংসটাকে তিন অঙ্কে নিতে।
খণ্ডকালীন স্পিনার আসিফ আহমেদের প্রথম ওভারেই সোজা বল কাট করতে গিয়ে বোল্ড।
প্রস্তুতি ম্যাচে বাকিদের প্রস্তুতি কতটুকু হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। বরং শঙ্কাগুলো আরও বাড়ল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের ওয়ানডে দলে থাকা নাঈম-নাসির-জহুরুল ও অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম আউট হয়েছেন তিরিশ পেরিয়ে! ম্যাচ শেষে প্রধান নির্বাচক আকরাম খানের কণ্ঠেও দুশ্চিন্তার ছোঁয়া, ‘অনেক দিন পর টেস্ট খেলেছি আমরা, ওয়ানডে খেলতে নামছি অনেক দিন পর। মানিয়ে নিতে সময় লাগতে পারে। তার পরও ব্যাটসম্যানদের লম্বা ইনিংস খেলতে না পারাটা চিন্তার বিষয়। লম্বা ইনিংস খেলার অভ্যাস যেন গড়ে উঠছেই না।’
প্রস্তুতি ম্যাচে জয়-পরাজয় বড় ব্যাপার নয়, কিন্তু মূল দলই হেরে গেলে
ভাবনা থাকে বৈকি। শঙ্কা বাড়াচ্ছে হারের ধরনটা। ৫ বল বাকি থাকতে বাংলাদেশ জাতীয় দলকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে বিসিবি একাদশ। মাঝারি কয়েকটি ইনিংস মিলিয়ে ২৭২ রান তুলেছিল জাতীয় দল। কিন্তু মাশরাফি-রুবেল-রাজ্জাক-হাসানরা পাত্তাই পাননি বিসিবি একাদশের ব্যাটসম্যানদের কাছে! জাতীয় দলে উপেক্ষিত দুজন বিসিবি একাদশের জয়ের নায়ক। দারুণ বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ৩ উইকেট নিয়েছেন এনামুল হক জুনিয়র। ছয়ে নেমে অপরাজিত ফিফটিতে দলকে জয় এনে দিয়েছেন জিয়াউর রহমান।
ব্যাটিং-বোলিং ১১ জনের হলেও দুই দলেই খেলেছেন ১২ জন করে। জাতীয় দলের স্কোয়াডে থাকা সবাইকে অনুশীলনের সুযোগ দিতে জহুরুল ও শফিউল খেলেছেন বিসিবি একাদশে। বিসিবি একাদশের মার্শাল আইয়ূব ছিলেন জাতীয় দলে।
আশুলিয়া-চট্টগ্রাম ট্র্যাজেডিতে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করে ম্যাচ শুরু। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা জাতীয় দলের শুরুটা ছিল মন্থর। প্রথম চার এসেছে সপ্তম ওভারে! ওয়ানডে সিরিজে তামিমের সম্ভাব্য ওপেনিং জুটি এনামুল হক একটুও স্বচ্ছন্দ ছিলেন না, ২৮ বলে করেছেন ৯ রান। আল আমিনকে ফ্লিক করে চার মারার পরের বলেই এলবিডব্লু।
তামিমের রান একপর্যায়ে ছিল ২০ বলে ৯। তবে থিতু হয়ে খেলেছেন দারুণ সব শট। ফরহাদ রেজাকে মেরেছেন টানা চারটি চার, তরুণ পেসার তাসকিনের এক ওভারে তিনটি। দ্বিতীয় উইকেটে নাঈমের সঙ্গে জুটি ৭৪ রানের। দারুণ খেলতে খেলতেই হঠাৎ বিপত্তি, আসিফের প্রথম ওভারেই আউট। জাতীয় দলকে ক্যারিবিয়ান পেসের জন্য প্রস্তুত করতেই কিনা, বিসিবি একাদশের প্রথম পাঁচ বোলারই ছিলেন পেসার! উইকেট পড়েছে নিয়মিত। রান আউট নাঈম, আবারও ডাউন দ্য উইকেট খেলে স্টাম্পড মুশফিক, নাসির এলবিডব্লু এনামুলের সোজা বলে। মার্শালের ৩২ বলে ৩৭ শেষ পর্যন্ত ২৭২ এনে দেয় জাতীয় দলকে।
উদ্বোধনী জুটিতেই বলপ্রতি রান করে ৭১ তুলে ফেলেন বিসিবি একাদশের ইমরুল-জহুরুল। রাজ্জাককে উড়িয়ে মারতে গিয়ে জহুরুলের আউটে ভাঙে এ জুটি। ৪ চার ও ৩ ছয়ে ইমরুল করেছেন ৫৩। মমিনুল দারুণ কিছু ড্রাইভ ও কাট শটে ৪৫। ১৮৮ রানে ৫ উইকেট হারায় বিসিবি একাদশ। ষষ্ঠ উইকেটে ৭২ বলে ৮৬ রানের দারুণ এক অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে জিতিয়ে দেন জিয়াউর (৫৪ বলে ৫১*) ও ফরহাদ রেজা (২৯ বলে ৩৮*)।
ওয়ানডের বেশ কিছু নতুন নিয়ম হওয়ার পর এটিই ছিল জাতীয় দলের প্রথম ম্যাচ। এখানেও প্রধান নির্বাচক আকরাম খানকে দুশ্চিন্তায় ফেলছে কালকের ম্যাচটা, ‘আমাদের মূল শক্তি স্পিন, কিন্তু চারজন ফিল্ডার বাইরে রাখার নিয়মে সমস্যা হবে আমাদের। এই ম্যাচেও কিছুটা দেখা গেছে। এসব ভাবতে হবে আমাদের।’
প্রস্তুতি ম্যাচে বাকিদের প্রস্তুতি কতটুকু হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। বরং শঙ্কাগুলো আরও বাড়ল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের ওয়ানডে দলে থাকা নাঈম-নাসির-জহুরুল ও অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম আউট হয়েছেন তিরিশ পেরিয়ে! ম্যাচ শেষে প্রধান নির্বাচক আকরাম খানের কণ্ঠেও দুশ্চিন্তার ছোঁয়া, ‘অনেক দিন পর টেস্ট খেলেছি আমরা, ওয়ানডে খেলতে নামছি অনেক দিন পর। মানিয়ে নিতে সময় লাগতে পারে। তার পরও ব্যাটসম্যানদের লম্বা ইনিংস খেলতে না পারাটা চিন্তার বিষয়। লম্বা ইনিংস খেলার অভ্যাস যেন গড়ে উঠছেই না।’
প্রস্তুতি ম্যাচে জয়-পরাজয় বড় ব্যাপার নয়, কিন্তু মূল দলই হেরে গেলে
ভাবনা থাকে বৈকি। শঙ্কা বাড়াচ্ছে হারের ধরনটা। ৫ বল বাকি থাকতে বাংলাদেশ জাতীয় দলকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে বিসিবি একাদশ। মাঝারি কয়েকটি ইনিংস মিলিয়ে ২৭২ রান তুলেছিল জাতীয় দল। কিন্তু মাশরাফি-রুবেল-রাজ্জাক-হাসানরা পাত্তাই পাননি বিসিবি একাদশের ব্যাটসম্যানদের কাছে! জাতীয় দলে উপেক্ষিত দুজন বিসিবি একাদশের জয়ের নায়ক। দারুণ বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ৩ উইকেট নিয়েছেন এনামুল হক জুনিয়র। ছয়ে নেমে অপরাজিত ফিফটিতে দলকে জয় এনে দিয়েছেন জিয়াউর রহমান।
ব্যাটিং-বোলিং ১১ জনের হলেও দুই দলেই খেলেছেন ১২ জন করে। জাতীয় দলের স্কোয়াডে থাকা সবাইকে অনুশীলনের সুযোগ দিতে জহুরুল ও শফিউল খেলেছেন বিসিবি একাদশে। বিসিবি একাদশের মার্শাল আইয়ূব ছিলেন জাতীয় দলে।
আশুলিয়া-চট্টগ্রাম ট্র্যাজেডিতে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করে ম্যাচ শুরু। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা জাতীয় দলের শুরুটা ছিল মন্থর। প্রথম চার এসেছে সপ্তম ওভারে! ওয়ানডে সিরিজে তামিমের সম্ভাব্য ওপেনিং জুটি এনামুল হক একটুও স্বচ্ছন্দ ছিলেন না, ২৮ বলে করেছেন ৯ রান। আল আমিনকে ফ্লিক করে চার মারার পরের বলেই এলবিডব্লু।
তামিমের রান একপর্যায়ে ছিল ২০ বলে ৯। তবে থিতু হয়ে খেলেছেন দারুণ সব শট। ফরহাদ রেজাকে মেরেছেন টানা চারটি চার, তরুণ পেসার তাসকিনের এক ওভারে তিনটি। দ্বিতীয় উইকেটে নাঈমের সঙ্গে জুটি ৭৪ রানের। দারুণ খেলতে খেলতেই হঠাৎ বিপত্তি, আসিফের প্রথম ওভারেই আউট। জাতীয় দলকে ক্যারিবিয়ান পেসের জন্য প্রস্তুত করতেই কিনা, বিসিবি একাদশের প্রথম পাঁচ বোলারই ছিলেন পেসার! উইকেট পড়েছে নিয়মিত। রান আউট নাঈম, আবারও ডাউন দ্য উইকেট খেলে স্টাম্পড মুশফিক, নাসির এলবিডব্লু এনামুলের সোজা বলে। মার্শালের ৩২ বলে ৩৭ শেষ পর্যন্ত ২৭২ এনে দেয় জাতীয় দলকে।
উদ্বোধনী জুটিতেই বলপ্রতি রান করে ৭১ তুলে ফেলেন বিসিবি একাদশের ইমরুল-জহুরুল। রাজ্জাককে উড়িয়ে মারতে গিয়ে জহুরুলের আউটে ভাঙে এ জুটি। ৪ চার ও ৩ ছয়ে ইমরুল করেছেন ৫৩। মমিনুল দারুণ কিছু ড্রাইভ ও কাট শটে ৪৫। ১৮৮ রানে ৫ উইকেট হারায় বিসিবি একাদশ। ষষ্ঠ উইকেটে ৭২ বলে ৮৬ রানের দারুণ এক অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে জিতিয়ে দেন জিয়াউর (৫৪ বলে ৫১*) ও ফরহাদ রেজা (২৯ বলে ৩৮*)।
ওয়ানডের বেশ কিছু নতুন নিয়ম হওয়ার পর এটিই ছিল জাতীয় দলের প্রথম ম্যাচ। এখানেও প্রধান নির্বাচক আকরাম খানকে দুশ্চিন্তায় ফেলছে কালকের ম্যাচটা, ‘আমাদের মূল শক্তি স্পিন, কিন্তু চারজন ফিল্ডার বাইরে রাখার নিয়মে সমস্যা হবে আমাদের। এই ম্যাচেও কিছুটা দেখা গেছে। এসব ভাবতে হবে আমাদের।’


No comments:
Post a Comment