প্রথম
টেস্টে বাউন্সারের মুখে মাহমুদ উল্লাহর ব্যাটিং দলের অন্য ব্যাটসম্যানদের
বেশ অনুপ্রাণিতই করেছিল। অন্তত তেমন দাবিই করেছিলেন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম।
সেটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ অবশ্য নেই। কারণ জাতীয় দলে মুশফিকের
ডেপুটি মাহমুদ মিরপুরে শরীরে বল যেমন নিয়েছেন, তেমনি পাল্টা আক্রমণে রানও
বের করেছেন।
কিন্তু খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাটসম্যানদের প্রেরণায় চোট লাগার মতো উদাহরণও তো রেখে গেছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে শাহরিয়ার নাফীস। যিনি টিনো বেস্ট কিংবা ফিডেল এডওয়ার্ডসের বাউন্সারে বারবারই এলোমেলো শটে রক্ষা পেতে চেয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে একপর্যায়ে তো ওই বাউন্সারেই এমন এক শট খেলে আউট হয়ে এসেছেন, যেটি লম্বা সময়ের জন্য তাঁকে বাংলাদেশ দলের বাইরে রাখার জন্য যথেষ্ট। বাউন্সারের বিপক্ষে তাঁর ব্যাটিং ভালো লাগেনি মুশফিকেরও, 'খারাপ তো লাগারই কথা। বিশেষ করে কোনো টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানের কাছ থেকে এমন ব্যাটিং কেউই আশা করে না।'
এমনটাও কেউ নিশ্চয়ই আশা করবেন না যে, শর্ট বলের বিপক্ষে ওরকম ব্যাটিংয়ের প্রভাব দলের অন্য ব্যাটসম্যানদের ওপরও পড়ুক। নাফীসের ভীতিকর ব্যাটিংয়ে ভীতির সঞ্চার না হলেই তাই ভালো। মুশফিক ভীতির ব্যাপারটা স্বীকার করবেন না স্বাভাবিক। কিন্তু যারা বাংলাদেশ দলের নিয়মিত খোঁজখবর রাখে, তাদের কারোরই অজানা নয় যে এখানে ব্যাটসম্যানরা কত সহজে অন্যের মাধ্যমে আক্রান্ত হন। ব্যাটিং আত্মবিশ্বাসের ব্যাপার, আর তাতে চিড় ধরিয়ে দেওয়ার জন্য নাফীসের মতো একজনই যথেষ্ট। ওয়ানডে সিরিজ
কিন্তু খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাটসম্যানদের প্রেরণায় চোট লাগার মতো উদাহরণও তো রেখে গেছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে শাহরিয়ার নাফীস। যিনি টিনো বেস্ট কিংবা ফিডেল এডওয়ার্ডসের বাউন্সারে বারবারই এলোমেলো শটে রক্ষা পেতে চেয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে একপর্যায়ে তো ওই বাউন্সারেই এমন এক শট খেলে আউট হয়ে এসেছেন, যেটি লম্বা সময়ের জন্য তাঁকে বাংলাদেশ দলের বাইরে রাখার জন্য যথেষ্ট। বাউন্সারের বিপক্ষে তাঁর ব্যাটিং ভালো লাগেনি মুশফিকেরও, 'খারাপ তো লাগারই কথা। বিশেষ করে কোনো টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানের কাছ থেকে এমন ব্যাটিং কেউই আশা করে না।'
এমনটাও কেউ নিশ্চয়ই আশা করবেন না যে, শর্ট বলের বিপক্ষে ওরকম ব্যাটিংয়ের প্রভাব দলের অন্য ব্যাটসম্যানদের ওপরও পড়ুক। নাফীসের ভীতিকর ব্যাটিংয়ে ভীতির সঞ্চার না হলেই তাই ভালো। মুশফিক ভীতির ব্যাপারটা স্বীকার করবেন না স্বাভাবিক। কিন্তু যারা বাংলাদেশ দলের নিয়মিত খোঁজখবর রাখে, তাদের কারোরই অজানা নয় যে এখানে ব্যাটসম্যানরা কত সহজে অন্যের মাধ্যমে আক্রান্ত হন। ব্যাটিং আত্মবিশ্বাসের ব্যাপার, আর তাতে চিড় ধরিয়ে দেওয়ার জন্য নাফীসের মতো একজনই যথেষ্ট। ওয়ানডে সিরিজ



